মো হা ম্ম দ র ফি ক উ জ্জা মা ন
শাস্ত্রকার বিশ্বনাথ কবিরাজ, সংস্কৃত অলঙ্কার শাস্ত্র অনুযায়ী মহাকাব্যের যে আদর্শ নিরূপণ করেন সে অনুযায়ী মহাকাব্যের লক্ষণগুলো হলো, মহাকাব্যের অন্তত আটটি সর্গ থাকতেই হবে। এক একটি সর্গ একই ছন্দে রচিত হবে এবং সর্গের শেষে ছন্দান্তর ঘটবে! সর্গশেষে পরবর্তী সর্গ সম্পর্কে বর্ণনা থাকবে। প্রতিটি সর্গে বিষয়ানুগ শিরোনাম থাকা আবশ্যক। 'আশীর্ণমস্ক্রিয়া বস্তুনির্দেশনা বহপি তন্মুখম্।' অর্থাৎ মহাকাব্য শুরু হবে আশীর্বাদসহ নমস্কার ও বস্তুনির্দেশনা সহযোগে। 'ইতিহাসকথোদ্ভূতমিতরদ্ধা সদাশ্রয়ম্।' মহাকাব্যের বিষয় ইতিহাসাশ্রিত অথবা সত্য ঘটনানির্ভর হবে। 'চতুর্বর্গকলোপেতং চতুরোদাওনায়কম্।' চতুর্বর্গ ফল, অর্থাৎ ধর্ম অর্থ কাম ও মোক্ষ ফললাভের উপযোগী এবং নায়ক চতুর উদাত্তগুণসম্পন্ন সদ্বংশজাত। এভাবে মহাকাব্যের ঘটনাক্রমে থাকবে নগর, পর্বত, সমুদ্র, চন্দ্রসূর্যের উদয়, যুদ্ধ, বীরত্ব, মৃত্যু, লোকরঞ্জনসহ বিবাদ, কলহ, প্রতারণা, বিবাহ _ বিচ্ছেদ, মিলন। অলঙ্কার শাস্ত্রের সমস্ত রসাভাষ ও রসাভাস থাকবে মহাকাব্যে। তবে শৃঙ্গার, বীর অথবা শান্তরসের প্রাধান্য থাকবে।
Showing posts with label নবীনচন্দ্র. Show all posts
Showing posts with label নবীনচন্দ্র. Show all posts
Monday, April 12, 2010
Subscribe to:
Posts (Atom)